নিউজ ডেস্ক: কাবুলে তালিবানদের কব্জায় আতঙ্কিত গোটা আফগানিস্তান। ইতিমধ্যে অন্যান্য দেশও আফগানিস্তানে আটকে থাকা মানুষদের নিজেদের দেশে ফেরত আনার বন্দোবস্ত করছে। কাবুলে আটকে পড়া রাষ্ট্রদূত, সহ-আধিকারিক ও বেশকিছু ভারতীয় কে বিশেষ কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা পাঠানো বিশেষ বিমানের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে এই উদ্ধারের কাজ অতোটা সোজা ছিল না, দেশে ফেরত আনার আগের দিন রাতে পরিস্থিতি অনেক উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে। এই কার্য সফল করার জন্য ভারত সাহায্য নেয় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের। নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছিল আমেরিকার সাথে। জানা গিয়েছে যে দিল্লিতে বিদেশ মন্ত্রকের কর্তারা মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রেখে ভারতীয়দের কাবুল থেকে বের করে। বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর আলোচনা মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কনের সাথে হয়। দুই তরফেই আলোচনা এবং যোগাযোগের মাধ্যমে আফগানিস্তানের আটকে থাকা দুই দেশের নাগরিকদের উদ্ধারের কাজ চালানো হয়।
আরও জানা গিয়েছে যে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রেখেছিলেন। বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্মসচিব(পাকিস্তান-আফগানিস্তান -ইরান)জে পি সিং মার্কিন কর্তা অতুল পেশাবের সঙ্গে বিশেষভাবে যোগাযোগে ছিলেন।
কাবুল থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর রাস্তাটা অনেক চ্যালেঞ্জিং হলেও, ভারতীয় অধিকারীদের দেশে ফিরতে সাহায্য করেছিল মার্কিন সেনা। বিমানবন্দরের বাইরে ছিল তালেবান যুদ্ধ। ভারতীয় আধিকারিকদের বিমানবন্দরে বাধা দেবার আশঙ্কা ছিল। সেই কারণেই মার্কিন প্রশাসনিক কর্তা অতুল কেশবের সঙ্গে বিদেশ সচিব থেকে শুরু করে অন্যান্যরা বিশেষ যোগাযোগ ছিলেন। মার্কিন বেস কমান্ডারের সঙ্গে সারাক্ষণ যোগাযোগে ছিলেন অতুল। কাবুল বিমানবন্দরে এখন ও মার্কিন সেনাবাহিনীর আধিপত্য রয়েছে।
সেই রাতেই ভারতীয় আধিকারিকদের নিয়ে গাড়ি যখন কাবুল বিমানবন্দরের গেটে পৌঁছায় ,সেখানে অনেক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সেই ভিড় এড়িয়ে গাড়ি ঢুকানো ছিল আরেক দুঃসাধ্যের কাজ, কার্যত অন্য গেটে ঢোকানোর বন্দোবস্ত করেছিল মার্কিন সেনা কাবুলে আটকে থাকা আধিকারিকদের দেশে ফেরত পুরো প্রক্রিয়াটি সুস্থভাবে সাধন হয় দিল্লি ,কাবুল এবং ওয়াশিংটনে দফায় দফায় যোগাযোগের রাখার ফলে।

0 Comments