মুখ খুলতে চাননি বলে অভিযোগ। তাহলে কি উপ- প্রধানের কারসাজিতেই এই ধরনের দুর্নীতি হয়েছে? বলেই কি তারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন, উঠছে প্রশ্ন। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জমা। শুধু তাই নয় ১০০ দিনের কাজের ১৫ দিনের মজুরিও না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই উপ-প্রধানের বিরুদ্ধে।অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিডিও ও এসডিও।
ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংনদীয়া গ্রামে। উপ-প্রধানের বিরুদ্ধে বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন গাংনদীয়া গ্রামের বাসিন্দা আকতার হোসেন। এমনই গুরুতর অভিযোগ নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশচন্দ্রপুর এলাকায়।
অভিযোগকারী আকতার হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা তালিকায় তার ও তার স্ত্রীর নাম থাকা সত্ত্বেও মিলেনি কোনো কিস্তির টাকা। তিনি পঞ্চায়েতে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তাদের উভয়ের স্বামী-স্ত্রীর আবাস যোজনার ঘর মহেন্দ্রপুর ও রামপুর গ্রামের দুই উপভোক্তার নামে প্রথম কিস্তির টাকা বরাদ্দ করে রেখেছে। উপ-প্রধানের দুর্নীতির বিষয়টি বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানাতেই তার দলবলেরা তাকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। আতঙ্কে দিন কাটছে দিনমজুর পরিবারের।অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে ব্লক প্রশাসন।
উপ-প্রধান আবু কালামের সঙ্গে ফোন মারফত যোগাযোগ করা হলে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। এমনকি মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জৈনব নেশাও এই ব্যাপারে মুখ খুলতে চাননি।
হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লক সভাপতি মানিক দাস জানান দুর্নীতির ঘটনাটি শুনেছেন এবং ব্লক প্রশাসন নিজের গতিতে চলবে এবং ব্যবস্থা নিবে।
অভিযোগ শুনে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন চাঁচলের মহকুমাশাসক কল্লোল রায়।

0 Comments