গদ্দারদের এই দলে জায়গা নেই, স্পষ্ট কথা কর্মীসভায়


রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জী, চিত্তরঞ্জন: সামনেই পৌরসভা, পঞ্চায়েত ও লোকসভার নির্বাচন। আর তার আগে দলকে শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হলো চিত্তরঞ্জন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। আর তারই অঙ্গ হিসাবে রবিবার চিত্তরঞ্জনের ফতেপুর মোড় সংলগ্ন একটি কমিউনিটি হলে চিত্তরঞ্জন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। আর এদিনের এই কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চ্যাটার্জি ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিধান উপাধ্যায় এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার যুব সভাপতি কৌশিক মন্ডল। 

এদিন এই কর্মীসভা থেকে স্বর্গীয় মানিক উপাধ্যায় এবং স্বর্গীয় পাপু উপাধ্যায় সহ চিত্তরঞ্জনের তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী স্বর্গীয় উমেশ মন্ডলের প্রতিকৃতিতে মাল্য দান করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত তৃণমূল নেতৃত্ব। পরে এক মিনিটের নীরবতা পালনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় এদিনের এই কর্মীসভা। 

আর এদিনের এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন বারাবনির বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিধান উপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, যে যেভাবে তৃণমূলের কর্মীরা একসাথে দলের হয়ে কাজ করেছে। আর তার জেরেই এই জয় এসেশে। নিচু স্তরের কর্মীদের আসল জয়। আজ তাদের জন্যই আমার এই জায়গায়। তবে যারা এই দলে থেকে নিজের স্বার্থ রক্ষায় গদ্দারের কাজ করে গেছে তাদের দলে থাকার কোন অধিকার নেই। যদি কেউ তার ব্যক্তিগত স্বার্থে তৃণমূল কংগ্রেসের আসে তাহলে তার জন্য তৃণমূলে কোন জায়গা নেই। 

এবিষয়েই এদিন উজ্জ্বল চ্যাটার্জি বলেন,  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃতীয়বার জন্য বাংলায় তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে। তবে নিচু স্তরের কর্মীরাই দলের আসল কর্মী, তারই দলের আসল সম্পদ।আর যারা দলে থেকে দলকে ছুড়ি মারে সেই সকল গদ্দারের চিহ্নিত করে দলের বাইরে ছুড়ে ফেলতে হবে। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তাদের ছাড়াই তৃণমূল বাংলায় ২০০ আসন সংখ্যা অতিক্রম করেছে। তাই তিনি এই ধরনের নেতাদের আবর্জনা বলে কটাক্ষ করে এদিন। পাশাপাশি এদিন তিনি বলেন যে এখন তৃণমূলে সেই আবর্জনার প্রয়োজন নেই। তাদের আসল জায়গা ওই বিজেপিতেই। 

চিত্তরঞ্জন ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি শ্যামল গোপ, ছাত্র যুব নেতা মিঠুন মন্ডলকের উদ্যোগে এই সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এছাড়া এদিনের এই কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ আরমান সহ সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ফাল্গুনী কর্মকার ঘাসি, সহসভাপতি বিদ্যুৎ মিশ্র,চিত্তরঞ্জন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তাপস ব্যানার্জি,সালানপুর ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ভোলা সিং ও এনএফআই আর নেতা ইন্দ্রজিৎ সিং,অর্ধেন্দু চক্রবর্তী,সমাজসেবী স্যনারায়ন মন্ডল সহ একাধিক কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Post a Comment

0 Comments